ভোট কেনা-বেচা রোধে বিকাশসহ সব ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের ওপর কড়া নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময়ে কোনো মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন পরিলক্ষিত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামান্য কিছু টাকার লোভে ভোট বিক্রি করে যেন ভোটাররা পাঁচ বছরের জন্য দাসত্বে আবদ্ধ না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ থাকবে না। নির্বাচন পরিচালনায় তিনটি মৌলিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে—স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা। মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের ছয়টি কমিটি কাজ করছে এবং এসব কমিটিকে তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
গণভোট প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের পছন্দ অনুযায়ী আগামীর বাংলাদেশ গঠনে মতামত প্রদান করবেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম সরকার। এ সময় নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
