স্টাপ রিপোর্টার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নের জহুরপুর নরোশিয়া গ্রামের মুসা মাওলানাপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক উপাদান রাখার অভিযোগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদর থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলায় বাড়ির মালিক পলাতক ইউনূস আলীর ছেলে ইয়াহিয়া হোসেন ওরফে এহু হোসেন ও তার স্ত্রীকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম ওয়াসিম ফিরোজ। তিনি জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। দুর্গম এলাকা হলেও সেখানে পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে মুসা মাওলানাপাড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে এখনও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। মাটির নিচে থাকা ককটেল বিস্ফোরণের পর সেখানে আরও কোনো বিস্ফোরক পুঁতে রাখা আছে কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসী।
ঘটনাস্থলটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়িটির অন্যান্য ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিকট শব্দে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুর্গম চরাঞ্চলের জহুরপুর নরোশিয়া গ্রামের মুসা মাওলানাপাড়ায় ইয়াহিয়ার বাড়ির একটি ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ে এবং টিনের চালা উড়ে যায়। এ ঘটনায় ওই এলাকা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েচাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নের জহুরপুর নরোশিয়া গ্রামের মুসা মাওলানাপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক উপাদান রাখার অভিযোগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদর থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলায় বাড়ির মালিক পলাতক ইউনূস আলীর ছেলে ইয়াহিয়া হোসেন ওরফে এহু হোসেন ও তার স্ত্রীকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম ওয়াসিম ফিরোজ। তিনি জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। দুর্গম এলাকা হলেও সেখানে পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে মুসা মাওলানাপাড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে এখনও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। মাটির নিচে থাকা ককটেল বিস্ফোরণের পর সেখানে আরও কোনো বিস্ফোরক পুঁতে রাখা আছে কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসী।
ঘটনাস্থলটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়িটির অন্যান্য ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিকট শব্দে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুর্গম চরাঞ্চলের জহুরপুর নরোশিয়া গ্রামের মুসা মাওলানাপাড়ায় ইয়াহিয়ার বাড়ির একটি ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ে এবং টিনের চালা উড়ে যায়। এ ঘটনায় ওই এলাকা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পড়ে।
