শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬ | বাংলা: ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ | আরবি: ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাংলাদেশ

২৮.০৬°C
SP_WEATHER_BROKEN_CLOUDS Humidity: ৬৮%
Wind: N at ৩.০৯ M/S
শনিবার
২৫.০১°C / ২৫.০১°C
রবিবার
২৬°C / ২৬°C
সোমবার
৩০.৫৬°C / ৩০.৫৬°C
মঙ্গলবার
৩০.৯৪°C / ৩০.৯৪°C
বুধবার
২৭.৮৩°C / ২৭.৮৩°C
বৃহস্পতিবার
২৬.৪৩°C / ২৬.৪৩°C
শুক্রবার
২৫.৪৬°C / ২৫.৪৬°C

অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে পাঠদান: তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে পাঠদান: তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার 

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা এবং ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে পাঠদান করানোর অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিভাগীয় মামলার আসামিরা হলেন সদর উপজেলার জোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ কুমার দাস, সহকারী শিক্ষক মো. আবু বাক্কর সিদ্দিকী এবং মো. নওয়াজ শরীফ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি নোটিশে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণের শামিল।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সকাল সাড়ে ৯টায় জোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় শিক্ষকরা নিজেরা অনুপস্থিত থেকে বিদ্যালয়ের দপ্তরি এবং বহিরাগত ব্যক্তিদের দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করান। পরে এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

পরে তদন্তে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ কুমার দাস ও সহকারী শিক্ষক আবু বাক্কর সিদ্দিকী সম্পূর্ণ অনুপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষক নওয়াজ শরীফ বেলা ১১টার দিকে বিলম্বে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের অনুপস্থিতির ঘটনায় সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুই দফায় কৈফিয়ত তলব করলেও তাদের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় বিভাগীয় মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয়।

একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকদের আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অন্য কোনো প্রশাসনিক দণ্ড প্রদান করা হবে না, সে বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Image

সত্যের সন্ধানে জনগনের সাথে

Please fill the required field.